মহাশিবরাত্রিতে আমিষ খাবার কে কেন্দ্র করে দিল্লির বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ!!
ইরানে হিজাব বিরোধী আন্দোলন
এবার খোদ মুসলিম দেশেই হিজাব বিরোধী প্রতিবাদ দেখা গেল । দেশটি হলো ইরান , যার ৯৯ শতাংশ নাগরিক মুসলিম এবং শিয়াদের প্রধান দেশ এটি । ১৯৭৯ তে ইসলামি বিপ্লব সফল হলে মহিলা ও মেয়েদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয় হিজাব না পরে বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না । সেই থেকে ৪৩ বছর হলো ইরানের মেয়ে এবং মহিলারা বাধ্য হচ্ছে হিজাব পরতে । কারণ ইসলামি শাসকরা এটা চাপিয়ে দিয়েছে মহিলা ও মেয়েদের সম্মতি না নিয়ে । উগ্ররক্ষণশীল মৌলবিদের প্রিয় রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম রাইসির মতে , ওই মেয়ে বা মহিলারা হিজাব খুলে ফেলছে প্রতিবাদের অংশ রূপে । এটা তাদের সংগঠিত নৈতিক দুর্নীতি ।

সরকার ১২ জুলাইকে হিজাব ও মহিলা , মেয়েদের নৈতিক দিবস বলেছে । গতকাল যখন তারা জনসমক্ষে হিজাব খুলেছে , প্রতিবাদের অংশরূপে , তখন পুরুষরা সমর্থন জানিয়েছে । শুধু তাই নয় , মহিলারা তাদের হিজাব তথা মাথা ও মুখের ঢাকনা খোলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছে।
ইরানের অধিকারবাদী গোষ্ঠীগুলো মহিলাদের আর্জি জানিয়েছে গতকাল জনাকীর্ণ স্থানে হিজাব খুলতে ।

ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক মসিহ আলি নেজাদ বলেন , মহিলারা মৌলবিদের দ্বারা পুরুষতন্ত্রের মুঠোয় রয়েছে । এখান থেকে নিস্কৃতি চায় ইরানের মহিলারা । ইরান জুড়ে তারা ‘ নো টু হিজাব ‘ আন্দোলনে নেমেছে । এটা হচ্ছে ইরানের নারী বিপ্লব । কয়েকজন হিজাব বিরোধী মহিলা গ্রেপ্তার হয়েছেন । ইসলামি বিপ্লব পূর্বকালে ইরানে মহিলাদের হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ছিল না।