২০২৩ বিধানসভা যদি কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে পাখির চোখ হয়ে থাকে তবে এর ঠিক আগে ২০২২ এর উপভোটও এর চেয়ে ভিন্ন হতে পারে না। আপাত দৃষ্টিতে এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। চার আসনের উপভোট ঘোষনা হবার পর নির্বাচনি প্রচারের ব্যস্ততা দেখে অবশ্য এখন অনায়াসে যে কেউই উপলব্ধি করতে পারবেন এই বিষয়টি।
পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন? ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক শব্দের এই প্রশ্নোত্তর জানতে অনেকেই ‘হা’ করে তাকিয়ে আছেন ২০২২ সালের উপভোটের দিকে। অনেকেই ধরে নিয়েছেন, মানুষ এখন কী চাইছেন তা জানতে ২০২২ সালের জুন মাসে রাজ্যে অনুষ্ঠেয় উপভোটই যথেষ্ট। এদিক থেকে বলতে গেলে হাল ছাড়তে নারাজ কোনও রাজনৈতিক দলই। শুধুমাত্র বামেদের বাদ দিলে নাছোড় রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে না পারলেও প্রচারে থেমে থাকতে চাইছে না কোথাও। শুধুমাত্র শহর আগরতলাকে কেন্দ্র করে নয়। ৪৬ সুরমা বিধানসভা কেন্দ্র এমনকী ৫৭ যুবরাজনগর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকাগুলিতেও একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে গত প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে।
যতদূর জানা গিয়েছে, শাসক বিজেপির রণকৌশল অনুযায়ী চারটি বিধানসভা কেন্দ্রেই নতুন মুখ আনা হচ্ছে প্রার্থী হিসেবে। বিরোধী সিপিয়আই(এম) অবশ্য এদিক তেহকে কোনও নতুন মুখ এনে চমক দিতে চায় না। সূত্র মতে, বরাবরের মতোই ৮ বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্রটি ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে আসছে বামেরা। সেই অনুযায়ী এবারও প্রার্থী করা হচ্ছে রঘুনাথ সরকারকে। এক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বৃহস্পতিবার প্রচারের কাজে তিনি গোটা বিধানসভা এলাকার বেশ কিছু এলাকায় ঘুরে বেড়ান। নিয়মিতভাবেই এখন থেকে তিনি এলাকায় চষে বেড়াবেন বলেও জানিয়েছেন। প্রচারে বেড়োচ্ছেন ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী কৃষ্ণা মজুমদার, সুরমাউ অঞ্জন দাস, যুব রাজনগরে শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথও।
শাসক বিজেপি অবশ্য মন্ডলভিত্তিক এই প্রচার শুরু করেছে আরও আগেই। প্রচারে ঝড় তুলতে ইতিমধ্যেই নয়া মুখ্যমন্ত্রী ডা.মানিক সাহা, সুরমা এবং যুবরাজনগর বিধানসভা এলাকায় পৃথক পৃথক সভাও করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরাও এক্ষেত্রে বসে না থেকে বৃহস্পতিবার ময়দানমুখো হয়েছেন সুরমা বিধানসভা এলাকায়। এর আগে ৬ আগরতলা, ৮ টাউন বড়দোয়ালী বিধানসভা এলাকাগুলোতে সভা করে নিয়েছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। অনেকটা ব্যকফুটে চলে যাওয়া কংগ্রেস কিন্তু ২০২২-এর উপভোটকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই গ্রহণ করেছে।
দলীয় সূত্রে খবর, বিশেষ করে ৬ আগরতলায় প্রার্থী হিসেবে থাকছেন হেভিওয়েট নেতা সুদীপ রায় বর্মণ। একইসাথে টাউন বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্রে থাকছেন ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে জয়ী প্রার্থী আশিস সাহা। এদিক থেকে এই দুটি আসন শাসকের পক্ষে বগলদাবা করে নেওয়াটা যে মোটেই সহজসাধ্য হবে না, ইতিমধ্যেই এ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথম সাত মাসে প্রত্যক্ষ বিদেশি পুঁজি (ফরেন ডাইরেক্ট ইনথবর্ষের প্রথ বা এফডিআই) যা…
অনলাইন প্রতিনিধি :-দীর্ঘদিন ধরে টি,এস,এফ দাবি করে আসছে রোমান লিপি কে স্বীকৃতি দেওয়ার।বর্তমানে যে প্রশ্নপত্র…
অনলাইন প্রতিনিধি :-কেন্দ্রীয়শিক্ষা মন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্ট এও ফুটে উঠলো ত্রিপুরার স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থার বে-আব্রু চেহারা।…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্রধানমন্ত্রীনরেন্দ্র মোদি সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াসের স্লোগান দিয়েছেন। আর…
প্রতিবেশী বাংলাদেশে গত ছয়মাস ধরে চলতে থাকা অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে একেবারে নিঃশব্দে এগিয়ে…
অনলাইন প্রতিনিধি:-প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করছে না সরকার। জেআরবিটির মাধ্যমে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ নিয়ে টালবাহানা…