দৈনিক সংবাদ অনলাইন প্রতিনিধি, আগরতলা।। আর হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরেই ঢাকে পড়ছে কাঠি। রাত জেগে হাঁটা হাঁটি, খাওয়া দাওয়া আর প্যান্ডেলের ভিড়। এইবার আরও জমজমাটি হচ্ছে দুর্গা পুজো।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পর্বনের কথা বহু প্রচলিত থাকলেও দুর্গা পুজো কিন্তু বাঙালির ইমোশন। তাই শুধু পুজোর চার দিনই হই হুল্লুর, তেমন টা কিন্তু নয়। প্রায় দু মাস আগে থেকেি পুজোর অপেক্ষায় আঙুলের কড় গুনতে শুরু করে বাঙালি। পুজোর প্রস্তুতি, কেনা কাটা, সাজগোজ, কোন ক্ষেত্রেই কম্প্রোমাইজ করতে রাজি নয় বাঙালি।
মহালয়ার সেই ভোরে উঠে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে “আশ্বিনেরও শারদ প্রাতে” শিউলির সেই চেনা ঘ্রাণ থেকে শুরু করে, দশমীতে অশ্রু চোখে মাকে বিদায় পর্যন্ত, সে যেনো এক মধুর অনুভূতি। আর এই দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে প্রত্যেক বারের ন্যায় এইবারও রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাব এবং সামাজিক সংস্থা গুলো মাঠে নেমেছে তাদের বিভিন্ন থিম নিয়ে। মন্ডপসজ্জা কিংবা পূজোর কনসেপ্ট, একে অপরকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত সকল ক্লাব ও সামাজিক সংস্থা গুলো। শুধু মাত্র এখানেই নয়, এবার ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংস্থা গুলোর পুজোর থিম, টেক্কা দেবে কলকাতার মত বড় শহরকেও। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের তুলনায় আগরতলা শহরেই বেশিরভাগ বড় মণ্ডপের পুজোগুলো হয়ে থাকে।
আর এবারও আগরতলার বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংস্থা গুলি চোখ চোখ ধাঁধানো সব মণ্ডপ ও থিম নিয়ে প্রস্তুত। প্রথমে দেখে নেবো আগরতলা নেতাজি প্লে সেন্টার। এবার তাদের থিম রাম মন্দির। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বর্তমানে নির্মীয়মাণ রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে এই মণ্ডপ। নকশা অনুযায়ী অবিকল তৈরি করা হচ্ছে প্যান্ডেল। রাম লালার মন্দির দর্শনের আশা, অর্থের কারণে বা অন্য কোনও সমস্যার কারণে পূরণ হচ্ছেনা? তাহলে সেই আসা পূরণ করতে নেতাজি প্লে সেন্টারে আপনাকে আসতেই হবে। তারপর চোখ রাখবো বিশ্বের সব থেকে উচু বিল্ডিং বুর্জ খালিফায়। না, এর জন্য আপনাকে দুবাই যেতে হবেনা। সেটা দেখতে পাবেন এবার আগরতলা চিত্তরঞ্জন ক্লাব প্রাঙ্গণে। এবারের চিত্তরঞ্জন ক্লাবের পুজোর মণ্ডপ সেই সুবিশাল বুর্জ খালিফা।
পিছিয়ে নেই বাকিরাও, লালবাহাদুর ক্লাবের এই বারের থিম বৈষ্ণোদেবী মন্দির। জম্মু-কাশ্মীরের ত্রিকোটা হিলের ঢালে অবস্থিত বৈষ্ণো দেবীর এই ভৈবিক মন্দির।পাহাড় বেয়ে মায়ের দর্শনে অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে রোজ। সেই বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের প্রতিচ্ছবি রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরতে প্রস্তুত লালবাহাদুর ক্লাব। পাশাপাশি শহর ছেড়ে একটু দূরে রাজ্যের উষাবাজার স্থিত ভারত রত্ন সংঘের পুজো কিন্তু সকলের মুখে মুখে। এবারের থিম ঐতিহাসিক মীনাক্ষী মন্দির। সমগ্র ক্লাব চত্বর ঘিরে তৈরি হচ্ছে এই সুবিশাল পুজো মন্ডপ।
পুজোর চারদিন সবথেকে বেশি ভিড় লক্ষ করা যায় এই উষাবাজারের পুজো মণ্ডপে। উত্তর প্রদেশের কাশি বিশ্বনাথ ঐতিহাসিক মন্দির নির্মান করছে শিবনগর মর্ডাণ ক্লাব। এছাড়াও রয়েছে রামঠাকুর সংঘ, শান্তিপাড়া।
দুই বছর করোনা অতিমারির কারণে বাঙালির শ্রেষ্ঠ ও প্রানের উৎসবে ভাটা পড়েছিল। পুজো হয়েছে নিয়ম রক্ষার। প্রশাসনের তরফেও ছিলো নানা বিধি নিষেধ। কিন্তু বর্তমানে সেই পরিস্থিতি নেই। করোনার প্রভাব কম হওয়ার ক্লাব ও সামাজিক সংস্থা গুলো এবার মায়ের আরাধনার প্রস্তুতি নিয়েছে বেশ জমজমাট।
অনলাইন প্রতিনিধি :-দেখতেই সে নয়নাভিরাম।তার উপর তার লেজের দৈর্ঘ্য?রবীন্দ্রনাথের শ্যামা নৃত্যনাট্যে শ্যামার রূপে মুগ্ধ হয়ে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্লাস্টিকের চায়ের কাপে চুমুক দিলে শেষ হতে পারে পুরুষত্ব! এমনকী, হরমোন সংক্রান্ত আরও…
লন্ডনের হিথরো থেকে মুম্বইয়ে রওনা দিয়েছিল ভার্জিন আটলান্টিকের বিমানটি। ছিলেন ২০০–র বেশি ভারতীয় যাত্রী। জরুরি…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রায় প্রতিটি দপ্তর বর্তমানে চরম কর্মী সংকটে ধুঁকছে। ফলে যে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্রায় ১২ কোটিটাকা ব্যয়ে বাধারঘাটে দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট যুব…
অনলাইন প্রতিনিধি:-রাজ্যের শান্তি সম্প্রতি ও সংহতি রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।যাতে আমাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন…