গোটা অযোধ্যাকে সাজিয়ে তোলার যে পরিকল্পনা নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার তারই অঙ্গ হিসেবে এবার এখানে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ সংযোগ পরিষেবা দেওয়ার পদক্ষেপ নিল সরকার । মাটির ওপরে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের যে তার রয়েছে তা পরিবর্তন করে সেই তার মাটির নীচে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটি সম্পূর্ণ করা হবে আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে , এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র । উজ্জ্বল ভারত , উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ – পাওয়ার ২০৪৭ ‘ নামের প্রকল্পের আওতায় এই কাজে বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ১৭৯.৬০ কোটি টাকা । অযোধ্যার বিদ্যুৎ দপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রদীপ কুমার ভার্মা জানিয়েছেন , এই প্রকল্পের অর্ধেক কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে ।
বাকি কাজও আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে । অযোধ্যাকে ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরার লক্ষ্যে অনেকদিন ধরেই নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার । রাস্তাঘাটের উন্নয়ন থেকে শুরু করে নানাদিক থেকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে এই জায়গাকে । বিশেষ করে পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফে । গোটা রাজ্যজুড়ে নতুন হাইওয়ে তৈরির বিষয়েও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে । এবার এরই অঙ্গ হিসেবে ভূগর্ভস্থ পথ দিয়ে বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে সরকার । দ্রুত এই কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে । নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ শেষ করার ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর ।
২০২১ সালেই ইন্টিগ্রেটেড পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট স্কিম নিয়ে আসে সরকার । তার আওতাতেই এই কাজটি সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । চলতি বছরের অক্টোবর মাসের মধ্যেই এরিয়াল বান্ডিলড কেবিলের কাজ শেষ করে ফেলা হবে বলেই জানিয়েছেন প্রদীপ কুমার ভার্মা । তিনি বলেন , ‘ কত দূর কাজ হয়েছে তা দেখতে ইতিমধ্যেই একটি পর্যালোচনা বৈঠক হয়ে গিয়েছে । রামপথ ধামকে চওড়া করার যে কাজ চলছে সেখানেও ভবিষ্যতে এমন ভূগর্ভস্থ বিদ্যুতের তার নিয়ে যাওয়া হবে । আমাদের লক্ষ্যই হল যত দ্রুত সম্ভব এই কাজটি শেষ করে ফেলা । ‘ ভূগর্ভস্থ তারের এই কাজ কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রক , দ্য ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন , তান্দা এবং অযোধ্যা জেলা প্রশাসন যৌথভাবে করছে ।
এর পাশাপাশি উজালা প্রকল্পে ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৫৩৬ টি এলইডি আলো অযোধ্যায় বিলি করারও পরিকল্পনা করা হয়েছে । এছাড়া সৌভাগ্য যোজনা ধাপ-১ এর আওতায় ২৫৫৬ টি বাড়িতে বিদ্যুদয়নের কাজও করা হচ্ছে। এতে খরচ হচ্ছে ৬১.৮০ কোটি টাকা। দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী ৩৭,২৩৯ টি পরিবারে বিদ্যুদয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে রাজ্য সরকার। জেলার ৪৭০ টি বাড়িতে সৌরবিদ্যুতের সাহায্যে বিদ্যুদয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভগবান শ্রী রামের শহর বলে পরিচিত অযোধ্যার আগের সেই রূপকেই ফিরিয়ে দিতে চাইছে যোগী সরকার । এখানে যাতে ভক্তের সমাগম আগামীদিনে আরও বাড়ে সেই দিকটিতেই জোর দেওয়া হচ্ছে ।
অনলাইন প্রতিনিধি :-১০০ এবং ২০০ টাকার নোটের বিষয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বড়সড় সিদ্ধান্ত।সোমবার জারি করা এক…
অনলাইন প্রতিনিধি :-আচমকাই আগুন লাগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে । সোমবার সন্ধ্যায় আগুন…
পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হানার একদিন পরে বৃহস্পতিবার ভারতের জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেবশ্রী মুখার্জি পাকিস্তানের জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের…
অনলাইন প্রতিনিধি :-পহেলগাঁও হামলার পর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার অ্যাকশন মোড অন করেছে । সোমবার কেন্দ্রীয়…
অনলাইন প্রতিনিধি :-রাজ্যবাসীর যে স্বপ্ন নিয়ে আশির দশকে গড়ে উঠেছিল রাজ্যের বৃহৎ -মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান…
অনলাইন প্রতিনিধি :-খরিফ মৌসুমে কাঞ্চনপুর মহকুমার বিভিন্ন কৃষি অঞ্চল জুড়ে ভুট্টা উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড…