১৯৭৩ সালের ৫ জুন থেকে প্রতিবছর ঘটা করে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। গোটা বিশ্বজুড়েই দিনটি পালন করা হয় পরিবেশ রক্ষা করার বার্তা নিয়ে।পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ।এই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। এবছর ৪৯তম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হচ্ছে। শুরুর দিন থেকেই প্রতিবছর একটা বিশেষ ভাবনা নিয়ে পালন করা হয় এদিনটি। এবছর পরিবেশ দিবসের ভাবনা (স্লোগান) হচ্ছে, ‘প্লাস্টিক দূষণ সমাধানে শামিল হই সকলে’।বর্তমান বিশ্বের সামনে যে বিষয়গুলো সবথেকে বেশি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে,তার মধ্যে অন্যতম প্রধান বিষয় হচ্ছে ‘জলবায়ু দূষণ’।পরিবেশের অবক্ষয় নানাভাবে বিপন্ন করে তুলেছে মানবজাতিকে। গোটা পৃথিবী আজ গভীর সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে।আর এই সঙ্কটের মূল কারণ হচ্ছে ‘পরিবেশ দূষণ’।তাই পরিবেশ নিয়ে যে কোনও উদযাপনই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ।এ নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই।কিন্তু মূল সমস্যাটা হচ্ছে অন্য জায়গায়।বিশ্ব উষ্ণায়ন ও পরিবেশ দূষণের অন্যতম প্রধান অনুঘটক হিসাবে প্লাস্টিকই যে ভিলেন, তা এক বাক্যে আমরা সকলে জানি।পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, দূষণমুক্ত পরিবেশ পৃথিবীর প্রতিটি জীবের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।আমরা সকলে জানি প্লাস্টিক কিভাবে আমাদের এবং গোটা পৃথিবীকে তিলে তিলে ধ্বংসের পথে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।সব জেনেও আমরা যেন উদাসীন।ভয়টা এখানেই।“যদি তুমি তোমার পরিবেশকে পরিষ্কার করতে না পারো,তাহলে অন্তত নোংরা করো না”।বিখ্যাত পরিবেশবিদ ফ্রেস ফোটসের এই উক্তি থেকে উপলব্ধি করা যায়,বর্তমানে আমাদের পরিবেশ কতটা হুমকির মুখে। ‘প্লাস্টিকের আবিষ্কার বিজ্ঞানের আশীর্বাদ না অভিশাপ’?এই প্রশ্ন নিয়ে বহু বিতর্ক আছে।ওই বিতর্কে না গিয়ে এটা স্পষ্ট করে বলা যায় ‘প্লাস্টিক আজ গোটা মানব সভ্যতার,গোট পৃথিবীর সামনে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্লাস্টিকের কারণে জলবায়ু লাজ ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি।’প্লাস্টিক’ এমন একটি পচনশীল রাসায়নিক দ্রব্য,যার জীবনচক্রের কোনও সমাপ্তি নেই ললে চলে। প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে গোটা বিশ্ব ওয়াকিবহাল।তারপর
প্ল্যাস্টিক নির্ভর জীবন থেকে আমরা বেরিয়ে আসছি না। সব থেকে বড় প্রশ্ন এখানেই।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত সিংহভাগ জিনিসেই প্লাস্টিকের উপস্থিতি বিদ্যমান। টুথব্রাশ থেকে শুরু করে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ প্লাস্টিকের মোড়কে প্যাকেটজাত।জলের বোতল থেকে শুরু করে লেখার জন্য কলম, প্রতিটি খাদ্যদ্রব্য আজ প্লাস্টিকের মোড়কে প্যাকটেজাত।প্রকাশিত এক সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৫০ থেকে ২০১৫,এই সময়ের মধ্যে পৃথিবীতে জমা হওয়া প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ ছিলো ৬৩০ কোটি টন (১ হাজার কেজিতে ১টন)।অবাক হওয়ার মতো তথ্য হচ্ছে, জমা হওয়া সে বর্জ্যের ৮০ শতাংশ এখনও পৃথিবীতে বিদ্যামান আছে। এইভাবে যদি চলতে থাকে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ ২০৫০ সালে ১২০০ কোটি টনে গিয়ে দাঁড়াবে।মূলত, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত ও সহজ করার লক্ষ্যে লাস্টিকের আবিষ্কার এবং ব্যবহার শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই স্লাস্টিকই গোটা পৃথিবী ধ্বংসের অন্যতম প্রধান অনুঘটক হয়ে -ঠেছে।এই বাস্তবতা উপলব্ধি করা সত্ত্বেও কেন আমরা প্লাস্টিক উৎপাদনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছি না? প্লাস্টিক উৎপাদনে কেন আমরা প্রতিবন্ধকতা আনতে পারছি না ?কেন আমরা ঠোর আইন প্রণয়ণ করতে পারছি না? উৎপাদনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেই, ধীরে ধীরে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ হয়ে আসবে। এই সহজ সত্যটা কেন আমরা বুঝেও বুঝতে চাইছি না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যেখানে প্লাস্টিক সহলভ্য, সেখানে শুধু প্লাস্টিক বর্জনের স্লোগান দিলে কি লাভ হবে?গোড়াতেই যেখানে গলদ, সেই গলদ দূর করার ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু পরিবেশ উদযাপন করলে কি লাভ হবে ?
অনলাইন প্রতিনিধি :-কুম্ভ থেকে পুণ্যস্নান সেরে ফিরছিলেন। ফেরার পথেই পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি…
অনলাইন প্রতিনিধি :-সুশাসনে আর্থিক দুর্নীতি জাঁকিয়ে বসেছে। সরকারী এবং সরকার অধিগৃহীত বিভিন্ন দপ্তরে যেন অর্থ…
অনলাইন প্রতিনিধি :-চার বছর ধরে পদোন্নতি ফাইলবন্দি। যদিও ইউজিসির নির্দেশিকায় ২০২২ এর ২১ এপ্রিল থেকেই…
অনলাইন প্রতিনিধি :-উত্তর পূর্ব ভারত মঙ্গলবার ভবিষ্যতের একটি নতুন যাত্রা শুরু করছে।আসামের অবিশ্বাস্য সম্ভাবনা ও…
অনলাইন প্রতিনিধি :-নতুন সরকার গড়ার পরেই ‘আপের শেষ দেখে নেওয়ার’ হুঁশিয়ারি দিয়েছিল পদ্ম শিবির এবার…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ইন্দিরা গান্ধী হত্যা পরবর্তী তে ১৯৮৪-এর শিখ ধর্মাবলম্বী বাবা যশবন্ত সিং ও ছেলে…