জনতার আস্থাতেই মজবুত হবে সংগঠন: মুখ্যমন্ত্রী!!

অনলাইন প্রতিনিধি :-সুবিধাভোগীদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে তোড়জোড় শুরু করেছে পদ্ম শিবির।আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই এই তৎপরতা।রবিবার আগরতলার শহিদ ভগৎ সিং যুব আবাসে লাভার্থী সম্পর্ক অভিযান সম্পর্কিত ত্রিপুরা প্রদেশ আয়োজিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।আগরতলার শহিদ ভগৎ সিং যুব আবাসে লাভার্থী সম্পর্ক অভিযান সম্পর্কিত প্রদেশ বিজেপি আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক কর্মশালায় মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা,রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, প্রদেশ বিজেপির সংগঠন মহামন্ত্রী রবীন্দ্র রাজু, মন্ত্রী টিংকু রায়, প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মন সহ অন্যরা।মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা কর্মশালায় বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাস যত বেশি বাড়বে সংগঠন তত বেশি শক্তিশালী হবে।এই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক থেকে সমর্থন আদায়ের সংকল্পকে সামনে রেখেই মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে হবে শাসক দলীয় কার্যকর্তাদের।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের দুটি আসনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীদের বিপুল সংখ্যায় জয়ী করে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে হবে।কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এ ধরণের কর্মশালা সত্যিকার অর্থে কাজে আসবে। সামাজিক মাধ্যমে আপডেট থাকা সম্পর্কে এই কার্যক্রমে বিস্তারিতভাবে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।এতে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি, শিখতে পেরেছি।কীভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রামে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচার করতে হবে তার বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে অনলাইন এবং অফলাইন সম্পর্কেও বিশেষ ধারণা দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা সরকার ফোর জি সলিউশন প্রজেক্ট নামে একটা স্কিম এনেছে।এক্ষেত্রে কোথাও নেটওয়ার্ক না পেলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে।এজন্য প্রায় ১২৫টি টাওয়ার স্থাপন করা হবে।এই সমস্যাও অচিরেই সমাধান করা হবে। ডা. সাহা বলেন, এই কয়েকদিনে বিভিন্ন জায়গায় লাভার্থী সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে নানা অভিজ্ঞতা হয়েছে। অনেক জায়গায় মানুষ চোখের জল ফেলে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন আর বলছেন, আমরা কোনওদিন ভাবিনি যে মুখ্যমন্ত্রী এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন।মানুষ শুধু চায় মানবিকতাবোধ। মানবিক হয়েই তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। জনসংযোগের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আর সমর্থন আদায় করতে হবে। এটাই ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম লক্ষ্য।এদিনের কর্মশালায় অংশ নেন ভারতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন জেলার সভাপতি,মণ্ডল সভাপতি,বিস্তারক, মণ্ডল কনভেনর, কো কনভেনর সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব।