জাতি-জনজাতির কৃষ্টি রক্ষায় কাজ করছে সরকার: মুখ্যমন্ত্রী!!

অনলাইন প্রতিনিধি:- বর্তমান সরকার হল মানুষের সরকার। এমনই দাবি এ মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহার। শুক্রবার অশোকাষ্টমী উপলক্ষে সিমনায় তিনদিনব্যাপী ব্রহ্মকুণ্ড মেলার উদ্বোধন করে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকার মানুষের সরকার বুঝাতে গিয়ে বলেন, জাতি জনজাতি সকল অংশের মানুষের কৃষ্টি সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখাই রাজ্য সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য। বিভিন্ন স্থানে বইমেলা, শিল্প বাণিজ্য মেলা, চৌদ্দ দেবতার মেলাগুলোর মাধ্যমে সংস্কৃতিকে মানুষের মধ্যে জাগিয়ে রাখাই সরকারের উদ্দেশ্য। যেন মানুষ ইতিহাসকে জানতে পারে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মা।এছাড়া ছিলেন বিশেষ অতিথি ভারপ্রাপ্ত পশ্চিম জিলা সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, টিটিএডিসির কার্যনির্বাহী সদস্য রবীন্দ্র দেববর্মা, ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সমীর রঞ্জন ঘোষ, মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন রাকেশ দেব, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদ সদস্য জয় লাল দাস, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসক ও সমাহর্তা ড. বিশাল কুমার এবং মেলা কমিটির আহ্বায়ক তথা মোহনপুর মহকুমা প্রশাসক সুভাষ দত্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নাস্তিক এবং আস্তিক এই দুই শব্দের মধ্য দিয়ে পরোক্ষভাবে বিগত বাম সরকারকেও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, পঁয়ত্রিশ বছরের নাস্তিক হাওয়ার জন্য রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্র সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানগুলি উন্নত হয়নি। কেন না তাদের চিন্তাধারার মধ্যেই না শব্দটি সবসময় থাকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির, কসবা কালী মন্দির সহ অন্যান্য ধর্মীয় পীঠস্থানগুলিকে পর্যটন স্থানের মর্যাদা দিতে প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রহ্মকুণ্ড মেলা প্রাঙ্গণকে উন্নত করতে চৌদ্দ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। স্বাগত ভাষণে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মা বলেন, অনেক সরকার এলো এবং গেলো কিন্তু ব্রহ্মকুণ্ড মেলা এলাকাকে সাজিয়ে তুলতে কেউ সেইভাবে এগিয়ে আসেনি। তিনি রাজ্য সরকারের শরিক দলের মন্ত্রী হয়েও আক্ষেপের সুরে বলেন, সিমনা বিধানসভা কেন্দ্রটি অবহেলিত। অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী যেন এই কেন্দ্রটির দিকে নজর দেয়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রদর্শিত স্টলগুলির উদ্বোধন করেন।
