কোনও প্রকার হিংসার আশ্রয় নিলে কাউকে ছাড়া হবে না । রবিবার নলছড়ে বিজেপি যুবমোর্চার কার্যকর্তা সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা এভাবেই বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিলেন। তিনি বলেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। রাজ্যে পুনরায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নলছড় বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কিশোর বর্মণের সমর্থনে পোয়ংবাড়ি স্কুল মাঠে যুবমোর্চার কার্যকর্তা সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে বিজেপি শাসনে উন্নয়নমূলক কাজের উল্লেখ করে বলেন, রাজ্যে এবারের ভোট এক অদ্ভুত অবস্থার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কেননা ১৯৭৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাঝের পাঁচ বছর (১৯৮৮-১৯৯৩ পর্যন্ত) বা দিয়ে সিপিএম পঁয়ত্রিশ বছর রাজ্য শাসন করেছে। মাঝের পাঁচ বছর কংগ্রেস- টিইউজেএস জোট সরকার। প্রত্যেক নির্বাচনে সিপিএম দল জোট শাসনকালের খুন, গণহত্যার রেকর্ড বাজিয়ে প্রতিটি নির্বাচন বৈতরণী পার করেছে। আজ সেই দলই জোট গঠন করেছে। দুই/তিন জন নেতার ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই এই জোট। কংগ্রেস দল আসনে নাকি তেরোটি আসন পেয়েছে। কংগ্রেস সিপিএমর জোট হওয়ায় বিজেপি লাভবান রয়েছে। এ যাবৎকাল এই দুই দলের গোপন প্রেম ছিল। আজ তো প্রকাশ্যে এসেছে। এই দুই দল বলছে রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, গণতন্ত্র বলছে তারা প্রকাশ্যে প্রেম করতে
পারছে। গণতন্ত্র আছে বলেই বিভিন্ন দলের পতাকা উড়ছে। বিজেপি একটি সুশৃঙ্খল দল। এবারের নির্বাচনে দুদলের আসনই শুন্যে নেমে আসবে। এরপর কে কাকে মুখ দেখাবে ? এই প্রশ্ন ছুড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখনও যারা সিপিএম করছেন তারা চলে আসুন ডবল ইঞ্জিনের সরকার চালানো বিজেপি দলে। ডবল ইঞ্জিনের সরকারের একটির চালক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অপরটির চালক তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এখনও রেলের বগি খালি রয়েছে, তাড়াতাড়ি বগিতে উঠে পড়ার আহ্বান জানান। বগির দরজা বন্ধ হয়ে গেলে আর কোনও কাজ হবে না । সিপিএম দলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, এই দল সন্ত্রাসে বিশ্বাস। করে। পশ্চিমবঙ্গে স্ট্যালিনের কায়দায় রাজনীতি করছে। খুন সন্ত্রাস ছাড়া রাজনীতি করেনি। সেই কারণে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল কিন্তু পরিবর্তন হয়েছে তাও সিপিএমের কার্বনকপি বলে তিনি মন্তব্য করেন।পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলাকে মিনি পাকিস্তান বানাবার চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।সেই দলের নেত্রী ত্রিপুরায় আসছে ছয় শতাংশ ভোটের জন্য।সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেস দলকে সন্ত্রাস ও খুনীর অপর নাম বলে তিনি মন্তব্য করেন।এই সভায় নলছড় বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কিশোর বর্মণ বলেন, প্রেম, যুদ্ধ, নির্বাচন এতে লড়াইই শেষ কথা কিভাবে জিতলেন সেটা মুখ্য নয়। এক্ষেত্রে কোনও নিয়মনীতি চলে না। যখন যেভাবে দরকার সেইভাবেই কাজ করতে হয়। কখনও মহাত্মাগান্ধীর ডাণ্ডার ভূমিকায় আবার কখনও প্রয়োজন হলে সেই ডাণ্ডাকেই অন্যভাবে ব্যবহার করতে হবে। এতে যুবকরাই মুখ্য ভূমিকা নেবে। তিনি বলেন,নলছড়ের প্রার্থী কিশোর বর্মণ নয়। প্রত্যেক যুব কার্যকর্তাই প্রার্থী।নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি বিধায়ক নয়, একজন সেবক হিসাবেই নলছড়ের সেবা করতে চান। রবিবার এই সভায় বিধায়ক সুভাষ দেবনাথ,যুবমোর্চার জেলা সভাপতি শুভঙ্কর সরকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনলাইন প্রতিনিধি :-ষষ্ঠ 'বিমসটেক' শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করতে বৃহস্পতিবার দু'দিনের সফরে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…
অনলাইন প্রতিনিধি :-চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত ৯৪ হাজার ৭২৩ জন মহিলা লাখপতি দিদি হয়েছেন।…
অনলাইন প্রতিনিধি:-দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর লাভের বড় অংশই এখন খেয়ে নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। তাই ভোেট শেষ…
অনলাইন প্রতিনিধি :-রাজ্যের প্রধান হাসপাতাল জিবিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসব সব বিভাগে চব্বিশ ঘন্টা না থাকায় রোগীর…
অনলাইন প্রতিনিধি:-রাজ্যে অনুপ্রদেশ রুখতে পুলিশ,বিএসএফ ও অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলি যৌথভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভকাউন্সিলের সিদ্ধান্তকে সীলমোহর দিল মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশ…