২০১৯ সালে করোনা মহামারির পাঁচ বছর পর ফের শিরোনামে চিন।এবার এইচএমপিভি (HMPV) নামক নয়া ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে চিনে। যা নিয়ে আবারও সারা বিশ্বের মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। চিনে ছড়িয়ে পড়া নতুন ভাইরাসের জেরে উত্তেজনায় গোটা বিশ্ব। আবারও করোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে নাতো? এই আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে গোটা বিশ্বের। ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের উহান শহর থেকে প্রথম ছড়িয়ে পড়েছিল করোনা ভাইরাস। আর ওই প্রাণঘাতী ভাইরাস গোটা বিশ্বকে ত্রস্ত করে রেখেছিল। কয়েক লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। গোটা বিশ্বজুড়ে লকডাউন। কী ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। করোনা মহামারির সেই ভয়ানক স্মৃতি এখনও গোটা বিশ্বের মানুষের মননে চিন্তনে উজ্জ্বল।
মাঝে বছর পাঁচেকের বিরতি। এই সময়ে ধীরে ধীরে সবকিছু যখন স্বাভাবিক হয়ে এসেছে তখন ফের আতঙ্কের ছায়া! সেই লকডাউনের ভয়ঙ্কর স্মৃতি, দুঃস্বপ্নের দিনগুলোকে উস্কে দিয়েছে নয়া ভাইরাস ‘হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস’। সংক্ষেপে এইচএমপিভি। চিনে ক্রমশ লাফিয়ে বাড়ছে এই ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। ভারতে ও আট মাসের এবং তিন মাসের দুই শিশুর শরীরে এই ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে খবরে প্রকাশ। যা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। যদিও চিনে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের সাথে ভারতে এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণের কোনও যোগসূত্র নেই বলে জানিয়েছে ভারত সরকার কিন্তু আমজনতার মনে ‘কোভিড-১৯’ আতঙ্ক এখনও পিছু ছাড়েনি তাই এইচএমপি ভাইরাস নিয়ে ক্রমশ উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
এখন সবথেকে বড় এবং মূল কথা হচ্ছে, নয়া ভাইরাস (এইচএমপি কি সত্যই ত্রাস? এবং করোনা থেকেও ভয়ঙ্কর? কতটা আতঙ্কের এই নয়া ভাইরাস? বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘এইচএমপি’ ভাইরাস নিলেন আতঙ্কের কিছুই নেই। এই ভাইরাস নতুন কিছু নয়। হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০০১ সালেও চিহ্নিত হয়েছিল। এর কোনও মিউটেশন হয়েছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, গত পঞ্চাশ বছর ধরে এর অস্তি মানব সভ্যতায় রয়েছে। চিনে যেহেতু কোভিড ১৯ আগে দেখ গিয়েছিল, আর সেই চিনেই যখন নতুন ‘এইচএমপি’ ভাইরাসের উপদ্র শুরু হয়েছে, তাই জনমনে খানিকটা আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এমনটাই দাি করেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। চিনের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে এটা সাহসি প্রকোপ। কোভিড়- ১৯ একেবারে অন্য ধরনে ভাইরা ছিল।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, মানব শরীরে কম বেশি সব ভাইরাসের উপস্থিতি একইভাবে প্রকট হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফু-এর যেসব উপসর্গ থাকে ‘এইচএমপি’ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও সেগুলি দেখা যায়। যেমন গলাব্যথা, সর্দি-কাশি, মাথা-ব্যথা, জ্বর, বুকে সাঁই সাঁই শব্দ, শ্বাসকষ্ট হওয়া ইত্যাদি। এই ধরনের ভাইরাস মরশুম বদলের সময়, বিশেষ করে শীতকালে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। বায়ুদূষণ এবং বাতাসের ধরন পরিবর্তন হওয়ার কারণেই শীতকালে এদের প্রকোপ বাড়ে।
চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, শিশু এবং বয়স্কদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। মধ্যবয়স্কদের হলে অনেক সময় বুঝতেই পারে না। তাই আতঙ্কের বিষয় না হলেও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, কোভিড আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিল,তা আমরা গত কয়েকবছরে ভুলতে বসেছিলাম।তা আবার মনে করার সময় এসেছে। অর্থাৎ আমাদের সকলের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। তাই অযথা আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।সাধারণ সর্দি কাশি হলে অবশ্যই রুমাল ব্যবহার করুন।কোভিড-১৯ আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছে।
অনলাইন প্রতিনিধি :-ষষ্ঠ 'বিমসটেক' শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করতে বৃহস্পতিবার দু'দিনের সফরে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…
অনলাইন প্রতিনিধি :-চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত ৯৪ হাজার ৭২৩ জন মহিলা লাখপতি দিদি হয়েছেন।…
অনলাইন প্রতিনিধি:-দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর লাভের বড় অংশই এখন খেয়ে নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। তাই ভোেট শেষ…
অনলাইন প্রতিনিধি :-রাজ্যের প্রধান হাসপাতাল জিবিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসব সব বিভাগে চব্বিশ ঘন্টা না থাকায় রোগীর…
অনলাইন প্রতিনিধি:-রাজ্যে অনুপ্রদেশ রুখতে পুলিশ,বিএসএফ ও অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলি যৌথভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভকাউন্সিলের সিদ্ধান্তকে সীলমোহর দিল মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশ…