অনলাইন প্রতিনিধি :-দলের
দেওয়া আরও একটি কঠিন পরীক্ষায় ভালো নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। এবার দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সবথেকে হাইপ্রোফাইল নির্বাচন ক্ষেত্র নিউ দিল্লী বিধানসভা কেন্দ্রে দলের পক্ষ থেকে প্রচারের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সাংসদ শ্রীদেবকে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এই নিউ দিল্লী কেন্দ্র থেকেই কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতকে হারিয়ে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এরপর আরও দুইবার এই কেন্দ্র থেকেই তিনি জয়ী হয়ে দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ২০২৫ নির্বাচনেও অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিউ দিল্লী কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। নিউ দিল্লী কেন্দ্র এক কথায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গড় বলা যায়। বিজেপি এবার এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছিল প্রাক্তন সাংসদ পারভেস সাহেব সিং ভার্মাকে। তিনি পশ্চিম দিল্লীর বিজেপি সাংসদ হিসাবে ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে দল প্রার্থী না করে, ২০২৫ বিধানসভায়
নিউ দিল্লী কেন্দ্রে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে প্রার্থী করে। অপরদিকে, কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের পুত্র সন্দীপ দীক্ষিত। সবমিলিয়ে নজরকাড়া নির্বাচন ক্ষেত্র।
বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবার নিউ দিল্লী কেন্দ্রে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে প্রচারে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে মাঠে নামায় ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে। এই দায়িত্ব নিঃসন্দেহে অনেক চ্যালেঞ্জের ছিল। দায়িত্ব পেয়েই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন শ্রীদেব। ডোর-টু-ডোর থেকে শুরু করে ছোট ছোট সভা, বুথসভা, কার্যকর্তাদের সাথে রণকৌশল নিয়ে একের পর এক বৈঠক, ভোটারদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পৌঁছানো- সবই করেছেন রাতদিন এক করে। ফলাফল সকলের সামনে। তিন হাজারের বেশি ভোটে প্রথমবার পরাজিত হলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
প্রথমে ২০১৮ ত্রিপুরায় প্রথম বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এরপর ওড়িশা, তারপর হরিয়ানা। এবার নিউ দিল্লী। দল যেখানেই তাকে দায়িত্ব দিয়ে কাজে লাগিয়েছে, সেখানেই শ্রীদেব সফল হয়েছেন এবং দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। এই বিষয়ে বিপ্লব দেবের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভাজপা সভাপতি জেপি নাড্ডার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাকে এই দায়িত্ব প্রদানের জন্য। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালন করতে পেরে এবং সফল হয়ে ভালো লাগছে।
কিন্তু এই জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং দিল্লীবাসীর। দিল্লীবাসী মিথ্যার রাজনীতিকে, ভ্রষ্টাচারের রাজনীতিকে পরাস্ত করে দীর্ঘ ২৭ বছর পর বিজেপিকে দিল্লীবাসীর সেবা করার জন্য সুযোগ করে দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালে ভাজপা পরিবারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকলেও তখনও রাজনীতিতে আসিনি। তখন থেকেই দিল্লীতে কেজরিওয়ালকে দেখে মনে হয়েছিল, তিনি কমিউনিস্ট চিন্তাধারার। তখন থেকেই মনে মনে একটা ইচ্ছ তৈরি হয়েছিল কেজরিওয়ালকে পরাজিত করার। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং অমিত ভাইয়ের জন্য এবার সেই ইচ্ছা পূরণ হল। স্বাভাবিকভাবেই ভালো লাগছে বলে জানান শ্রীদেব।
অনলাইন প্রতিনিধি :-শুক্রবার সন্ধ্যায় পর পর দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা…
অনলাইন প্রতিনিধি :-দেখতেই সে নয়নাভিরাম।তার উপর তার লেজের দৈর্ঘ্য?রবীন্দ্রনাথের শ্যামা নৃত্যনাট্যে শ্যামার রূপে মুগ্ধ হয়ে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্লাস্টিকের চায়ের কাপে চুমুক দিলে শেষ হতে পারে পুরুষত্ব! এমনকী, হরমোন সংক্রান্ত আরও…
লন্ডনের হিথরো থেকে মুম্বইয়ে রওনা দিয়েছিল ভার্জিন আটলান্টিকের বিমানটি। ছিলেন ২০০–র বেশি ভারতীয় যাত্রী। জরুরি…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রায় প্রতিটি দপ্তর বর্তমানে চরম কর্মী সংকটে ধুঁকছে। ফলে যে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্রায় ১২ কোটিটাকা ব্যয়ে বাধারঘাটে দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট যুব…