বিভৎস ট্রেন দুর্ঘটনা, ছিটকে গেল চলন্ত তিনটি মালগাড়ির কামরা!!
পরিবহণ ব্যবস্থাকে মসৃণ ও অত্যাধুনিক করা হচ্ছে: সুশান্ত।।

অনলাইন প্রতিনিধি :-পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত, মসৃণ ও সুন্দর করে সাজিয়ে জনগণের স্বার্থে উৎসর্গ করা সরকারের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহার হাত ধরে রাজ্য এগিয়ে চলছে। পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় ৮০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়ে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বেশকিছু প্রকল্পের আর্থিক মঞ্জুরি পাওয়া গেছে। খুব সহসাই পরিবহণ দপ্তরের ট্রান্সপোর্ট কমিশনারের অফিস ভেঙে নতুন অত্যাধুনিক অফিস তৈরি করা হবে। এর জন্য ৪০ কোটি টাকার ডিপিআর তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জিরানীয়া মহকুমাশাসক অফিসে পরিবহণ দপ্তরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শিলান্যাস অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিভিন্ন জেলা পরিবহণ আধিকারিক ও মহকুমাশাসকদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক শেষে এ কথাগুলো জানান খাদ্য পর্যটন ও পরিবহণ দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তিনি বলেন,মানুষ যাতে সঠিক পরিষেবা পেতে পারে তার জন্য জেলা পরিবহণ অফিস নির্মাণের পাশাপাশি অত্যাধুনিক মোটরস্ট্যান্ড গড়ে তোলা হচ্ছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহার হাত ধরে জিরানীয়া মহকুমাশাসক অফিস সংলগ্ন মোটরস্ট্যান্ড থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে পরিবহণ দপ্তরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে। প্রকল্পগুলো হল দক্ষিণ ও খোয়াই জেলায় পরিবহণ ভবন, খোয়াইয়ে পার্কিং জোন, জিরানীয়া, মেলাঘর ও জোলাইবাড়িতে অত্যাধুনিক মোটরস্ট্যান্ড নির্মাণ। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ কোটি টাকা আর্থিক মঞ্জুরির পর একাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেন, মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল অত্যাধুনিক মোটরস্ট্যান্ড নির্মাণ হলে মানুষ উপকৃত হবেন। মন্ত্রী জানান, জেলা পরিবহণ ভবনগুলো নির্মাণে গড়ে সাড়ে ছয় কোটি টাকা করে ব্যয় করা হবে। জিরানীয়া মোটরস্ট্যান্ড নির্মাণে ১৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। খোয়াই জেলার জেলা পরিবহণ অফিস হচ্ছে তেলিয়ামুড়ায়, আর দক্ষিণ জেলার অফিস হবে শান্তিরবাজারে।এদিন মন্ত্রী সিপাহিজলা, দক্ষিণ ও খোয়াই জেলার জেলা পরিবহণ আধিকারিক এবং শান্তিরবাজার, সোনামুড়া, খোয়াই, তেলিয়ামুড়া ও জিরানীয়ার মহকুমাশাসক এবং জেলা পরিবহণ আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনাকালে জিরানীয়া মহকুমাশাসক কার্যালয়ে ছিলেন পরিবহণ দপ্তরের সচিব সি কে জমাতিয়া, সহকারী সচিব সুব্রত চৌধুরী, সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক, রাণীরবাজার পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার দাস, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান প্রিতম দেবনাথ, নগর পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান রতন দাস, আরডি দপ্তরের ইঞ্জিনীয়ার ক্ষুদিরাম ত্রিপুরা, পূর্ত দপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনীয়ার সত্যনারায়ণ সরকার সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক, ব্লকের বিডিও সহ জনপ্রতিনিধিরা।