অনলাইন প্রতিনিধি :-রাজ্যসভার সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবকে আরও একবার সাংসদ পদপ্রার্থী করলো বিজেপি।প্রথম দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্যে ফিরে পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ পদপ্রার্থী রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘২০১৫ সালে রাজ্যে আসার পর এক সময় হাস্যকর হিসেবেই পরিচিত ছিলো আমাদের।কিন্তু এ রাজ্যের মানুষ ২০১৮ সালে ইতিহাস তৈরি করে দেখিয়ে দিয়েছে।’
নির্বাচনি ময়দানে অবতীর্ণ হওয়ার আগে এ দিন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব বললেন, ত্রিপুরা রাজ্য আয়তনের দিক থেকে ছোট হতে পারে ঠিকই তবে এ রাজ্যের মানুষ সর্বদাই ব্যতিক্রমী।
লোকসভা আসনে প্রার্থী হয়ে তিনি রাজ্যবাসী থেকে শুরু করে দলীয় নেতা-কর্মী, মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী,সবার কাছেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।আরও বলেন, বিগত দিনে কোনও না কোনও ভুল-ত্রুটি হয়েই থাকতে পারে। তবে ষড়যন্ত্র করে আমি কোনও ভুল-ত্রুটি করি না, আগামী দিনেও করবো না। বরং যতোটা সম্ভব রাজ্যের কল্যাণার্থে, রাজ্যবাসীর স্বার্থেই কাজ করে যাবার চেষ্টা করবো।তিনি ২০২৪ লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী মোদির হাতকে আরও বেশি শক্তিশালী করতে তাকেও পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।২০১৮ সালের পর ভোট চাইতে আরও একবার রাজনৈতিক ময়দানে দেখা যাবে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবকে।তবে এর আগে প্রদেশ নেতৃত্বের সাথে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং যাবতীয় কাজকর্ম শেষ করে শীঘ্রই তিনি ময়দানে নামবেন বলে জানিয়েছেন।
এ দিন প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস-সিপিএম আলাদা-আলাদা রাজনৈতিক দল হতে পারে।তবে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠেই ২০১৮ সালে কংগ্রেস- সিপিএম নেতা-কর্মীরা আমাদেরকে ভোট দেয়।এটা পরিসংখ্যান দেখেই স্পষ্ট। একথা মেনে নিয়ে তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে ভুল-ত্রুটি হয়েই থাকতে পারে। তবে আমি চেয়েছি রাজ্যবাসীর কল্যাণার্থে কাজ করে যেতে। সেই অনুযায়ী আরও একবার জনতার কাছে সুযোগ চাইছি কাজ করার। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় শূন্য হাতে রাজ্যে এসেছিলাম। কিন্তু এখন রাজ্যের সব অংশের জনগণের সহায়তা এবং ভালোবাসায় গোটা দেশ আমাকে চেনে। তিনি আরও একবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতকে শক্তিশালী করে তুলতে এখনও যারা কংগ্রেস-সিপিএম সমর্থক রয়েছেন তাদের সব অংশের জনগণকেই কাছে আসার বার্তা দেন।তিনি বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যের উন্নয়নের মাপকাঠি সর্বদাই থাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে। সত্যিকারের অর্থেই তিনি ভালোবাসেন এ রাজ্যকে, এ রাজ্যের মানুষকে।সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে যদি ভালো লেগে থাকে তবে আপনার ভাইকে,আপনার ছেলেকে, আপনার সহযোগীকে পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে আরও একবার রাজ্যবাসীর কল্যাণার্থে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।আমি আপনাদেরই লোক।’এ দিন এর আগেই মহারাজা বীরবিক্রম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তাকে স্বাগত জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অমিত রক্ষিত, প্রাক্তন মন্ত্রী ভগবান দাস, যুব মোর্চার প্রদেশ সভাপতি সুশান্ত দেব সহ আরও অনেকেই।ভিড়ে ঠাসা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানানোর পর হুডখোলা গাড়িতে করে শ্রী দেবকে সুবিশাল বাইক মিছিলের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হয় প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে।
সেখান থেকেই সাংবাদিকদের সাথে বেশ কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করে সোজা তিনি ছুটে যান ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের মন্দিরের উদ্দেশে। পথে তেপানিয়ার সামনে ছি থেকে আরও একবার তাকে বাইক মিছিল করে নিয়ে যাওয়া হয় জামজুরিস্থিত তার নিজ বাসভবনে।সেখানে তিনি তার প্রয়াত পিতার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল এপ্রিল মাসের শেষে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজে ছাত্রছাত্রীদের পাস করিয়ে দেবার নাম করে ডা. সোমা চৌধুরী নামে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-রাজ্য ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা টিএফএর সংবিধান সংশোধন করার নামে নিজেদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার…
অনলাইন প্রতিনিধি :-এডিসির ৩০২ টি স্কুলে শিক্ষক ১ রয়েছে।জাতীয় স্তরে প্রাথমিক স্কুলে ছাত্র- শিক্ষকের অনুপাত…
অনলাইন প্রতিনিধি :-বামফ্রন্টের টানা ২৫ বছরে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের কোনও উন্নয়নই হয়নি। সম্পূর্ণ অন্ধকারে ডুবে…
একা রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর। কথাটা বোধহয় এক্ষেত্রে একেবারে যথার্থভাবে ধ্বনিত হয়।গত কয়দিন ধরেই…