অনলাইন প্রতিনিধি :-২৬ এপ্রিল ২০২১।ওই দিনের আগরতলার দুটি বিয়ে বাড়িতে তৎকালীন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসক শৈলেশ যাদবের তাণ্ডবের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে দায়ের করা তিনটি রিট মামলার শুনানি শেষ হয়েছে।আজ প্রধান বিচারপতি অপরেশ কুমার সিংহ ও বিচারপতি অরিন্দম লোধের ডিভিশন বেঞ্চে অভিযুক্ত শৈলেশ যাদবের পক্ষে সওয়াল করেন বরিষ্ঠ আইনজীবী এস কর ভৌমিক। কোভিড বিধি লাগু করার জন্য ও ১৪৪ ধারা অমান্য করার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তৎকালীন পশ্চিম জেলাশাসক দুটি বিয়েবাড়িতে
যান এবং ভিড় ছত্রভঙ্গ করার জন্য মৃদু বলপ্রয়োগের নির্দেশ দেন।বিয়েবাড়ি থেকে মহিলা, শিশু ও পুরুষদের থানায় এনে আটকে রাখা সম্পর্কে অভিযুক্তের পক্ষে বলা হয় যে, এ ব্যাপারে যাদবের কিছু জানা নেই।ঘটনাস্থল থেকে যাদব বেরিয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত এসপির নির্দেশেই বিয়েবাড়ি থেকে অতিথিদের থানায় নিয়ে আসা হয়।রাজ্য সরকারের পক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল হাইকোর্ট দ্বারা গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে সওয়াল করেন।তিনি বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক মনোভাব চরিতার্থ করার জন্য রিট মামলাগুলো করা হয়েছে। রিট মামলাগুলোর বিষয়বস্তু নিয়ে উচ্চ আদালতের সময় নষ্ট করার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন এজি।রিট মামলাগুলোর বিষয়বস্তু নিয়ে তিনটি ফৌজদারি মামলা হয়েছে।তাই রিট মামলাগুলো খারিজযোগ্য।রিট আবেদনকারীদের পক্ষে জবাবি সওয়ালে অংশগ্রহণ করেন বরিষ্ঠ আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ,বরিষ্ঠ আইনজীবী শমীক দেব ও আইনজীবী রুমেলা গুহ। তারা বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টেই স্পষ্ট বিয়েবাড়ি দুটিতে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হচ্ছিল বৈধ অনুমতির ভিত্তিতে এবং সম্পূর্ণভাবে কোভিড বিধি মান্য করে।তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সুস্পষ্টভাবে শৈলেশ যাদবকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।কোনও আইনেই প্রশাসনিক আধিকারিকদের নাগরিকদের মানবিক অধিকার লঙ্ঘন করার ছাড়পত্র নেই।একজন জেলাশাসকের জনসমক্ষে সংঘটিত চূড়ান্ত অসদাচরণ ও বেআইনি কার্যকলাপকে যদি ছাড় দেওয়া হয় তবে আইনের শাসনের প্রতি জনসাধারণের আস্থায় প্রচণ্ড রকমের চিড় ধরবে।অভিযুক্ত জেলাশাসকের বিরুদ্ধে আণীত অভিযোগসমূহ ‘বিতর্কিত’ বলার সুযোগ নেই। কেননা হাইকোর্ট দ্বারা গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়েছে।বরিষ্ঠ আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ জোর দিয়ে বলেন অভিযুক্ত একজন ক্ষমতাশালী আমলা। রাজ্য সরকারের ‘ব্লু আইড বয়’।কিন্তু আবেদনকারীদের উচ্চ আদালতের উপর গভীর আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে।উচ্চ আদালত ন্যায় বিচার দেবে। আজ উচ্চ আদালতে শুনানি শেষ হয়েছে।এখন উচ্চ আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা।বহুচর্চিত বিয়েবাড়ি কাণ্ড সারা দেশে আলোড়ন তুলেছিল।রাজ্যবাসীর এই রায় নিয়ে অধীর আগ্রহ।বাদী পক্ষের হয়ে মামলাগুলোতে আইনজীবী সমরজিৎ ভট্টাচার্য ও কৌশিক নাথ রয়েছেন অন্যান্যদের সঙ্গে।
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল এপ্রিল মাসের শেষে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজে ছাত্রছাত্রীদের পাস করিয়ে দেবার নাম করে ডা. সোমা চৌধুরী নামে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-রাজ্য ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা টিএফএর সংবিধান সংশোধন করার নামে নিজেদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার…
অনলাইন প্রতিনিধি :-এডিসির ৩০২ টি স্কুলে শিক্ষক ১ রয়েছে।জাতীয় স্তরে প্রাথমিক স্কুলে ছাত্র- শিক্ষকের অনুপাত…
অনলাইন প্রতিনিধি :-বামফ্রন্টের টানা ২৫ বছরে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের কোনও উন্নয়নই হয়নি। সম্পূর্ণ অন্ধকারে ডুবে…
একা রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর। কথাটা বোধহয় এক্ষেত্রে একেবারে যথার্থভাবে ধ্বনিত হয়।গত কয়দিন ধরেই…