অনলাইন প্রতিনিধি :-ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রায় প্রতিটি দপ্তর বর্তমানে চরম কর্মী সংকটে ধুঁকছে। ফলে যে গতিতে জনকল্যাণমুখী কাজগুলি বাস্তবায়নের কথা, কর্মী সংকটে সেই কাজ কচ্ছপের গতিকেও হার মানিয়েছে। মহাকরণ থেকে শুরু করে একেবারে পঞ্চায়েত পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে মারাত্মক কর্মী সংকট। এতে উন্নয়নের যাবতীয় কাজকর্ম মুখ থুবড়ে পড়েছে বলা যায়। যে কাজ খুববেশি সময় লাগলে পাঁচদিনে হয়ে যাওয়ার কথা, সে কাজ একশ দিনেও হচ্ছে না। এরমধ্যে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রতিটি বৈঠকে একাধিক দপ্তরে শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত হচ্ছে। একই সাথে নতুন পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত হচ্ছে। প্রতিটি মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে সরকারের মুখপাত্র হিসেবে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের কথা রাজ্যবাসীকে জানান। অথচ, এরপর দিন যায়, মাস চাড়িয়ে বছর যায়। শূন্যপদ পূরণ আর হয় না। হলেও, প্রয়োজনের তুলনায় তা একেবারেই নগন্য বলা যায়।
শুধুমাত্র কয়েকটি দপ্তরের শূন্যপদের সংখ্যা তুলে ধরলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। এইসব তথ্য সদ্য সমাপ্ত রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীরা দিয়েছেন।যেমন রাজ্য সরকারের তথ্য প্রযুক্তি দপ্তরে বর্তমানে ৪০টি শূন্যপদ রয়েছে।এরমধ্যে গ্রুপ-এ ১৩টি পদ, গ্রুপ-বি ৩টি, গ্রুপ-সি ২২টি এবং গ্রুপ-ডি পদে ২টি মোট ৪০টি পদ শূন্য।রাজ্য বন দপ্তরে শূন্য পদের সংখ্যা ৬২৬টি।এরমধ্যে ফরেস্ট রেঞ্জার ৩৭টি, ফরেস্টার ১০৭টি, ফরেস্ট গার্ড ১৯৬টি, এলডিসি ১৪টি, জুনিয়র সার্ভেয়র ৮, জুনিয়র ড্রাফটম্যান ২টি, ড্রাইভার ৩টি, এমটিএস (ফিল্ড) ২৫১টি, মহাউট ৬টি, মেকানিক ১টি এবং ফিটার ১টি মোট ৬২৬টি পদ শূন্য। এর থেকে স্পষ্ট রাজ্যের বনজসম্পদ উজার হয়ে যাচ্ছে কেন?পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধি দপ্তরে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা ২০১টি সবগুলি পদই জুনিয়র মাল্টি ট্যাস্কিং অপারেটার।অনুমোদিত পদের সংখ্যা হচ্ছে ২০৯টি।বর্তমানে আছেন মাত্র ৮ জন। পরিবহণ দপ্তরে শূন্যপদের সংখ্যা ১০টি। এরমধ্যে এলডিসি ৬টি, পিওন কাম নাইটগার্ড ৪টি। রাজ্য সরকারের তথ্য এবং সংস্কৃতি দপ্তরে বিভিন্ন পদে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা ৩৭৪টি। তপশিলি জাতি (এসসি) এবং তপশিলি জনজাতি (এসটি) কল্যাণ দপ্তরে শূন্যপদের সংখ্যা মোট ৪২৭টি।এরমধ্যে গ্রুপ-বি ১৩টি, গ্রুপ-সি ৩০৫টি এবং গ্রুপ-ডি ১১৩টি। রাজ্য সরকারের হস্ততাঁত, হস্তকারু এবং রেশম শিল্প দপ্তরে বিভিন্ন পদে শূন্যপদের সংখ্যা মোট ২৬৪টি। রাজ্য সরকারের শ্রম দপ্তরে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা ৩৪টি। এরমধ্যে গ্রুপ-সি ২৩টি এবং গ্রুপ-ডি ১১টি। নগর উন্নয়ন দপ্তরে শূন্যপদ ৩টি। টার্ডন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিং অর্গানাইজেশন দপ্তরে শূন্যপদের সংখ্যা ১৫টি। পর্যটন দপ্তরে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা মোট ৫১টি। রাজ্য সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা মোট ৪০৮টি। এই তথ্য শুধুমাত্র ১৪টি দপ্তরের। এই ১৪টি দপ্তরেই শূন্যপদের সংখ্যা মোট ২৪৫৩টি। রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, বর্তমানে রাজ্যে বিভিন্ন দপ্তরে শূন্যপদের সংখ্যা ৩১ হাজারের উপর। যদিও বিরোধীদের দাবি শূন্যপদের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। একদিকে সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রচণ্ড ধীরগতি, অন্যদিকে দপ্তরগুলিতে তীব্র কর্মী সংকট।ফলে প্রশাসনে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সবমিলিয়ে ডবল ইঞ্জিনের গতি বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে।
অনলাইন প্রতিনিধি :-শুক্রবার সন্ধ্যায় পর পর দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা…
অনলাইন প্রতিনিধি :-দেখতেই সে নয়নাভিরাম।তার উপর তার লেজের দৈর্ঘ্য?রবীন্দ্রনাথের শ্যামা নৃত্যনাট্যে শ্যামার রূপে মুগ্ধ হয়ে…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্লাস্টিকের চায়ের কাপে চুমুক দিলে শেষ হতে পারে পুরুষত্ব! এমনকী, হরমোন সংক্রান্ত আরও…
লন্ডনের হিথরো থেকে মুম্বইয়ে রওনা দিয়েছিল ভার্জিন আটলান্টিকের বিমানটি। ছিলেন ২০০–র বেশি ভারতীয় যাত্রী। জরুরি…
অনলাইন প্রতিনিধি :-প্রায় ১২ কোটিটাকা ব্যয়ে বাধারঘাটে দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট যুব…
অনলাইন প্রতিনিধি:-রাজ্যের শান্তি সম্প্রতি ও সংহতি রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।যাতে আমাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন…