অনলাইন প্রতিনিধি :-তথাকথিত স্মার্টসিটি আগরতলায় আনস্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শহরবাসীকে।শুধু ট্রাফিক ব্যবস্থাই নয়,এই শহরের একাংশ নাগরিকও আনস্মার্ট।তারাও কোনও নিয়মকানুন-শৃঙ্খলা ধার ধারেন না।তাদের যা ইচ্ছা হয়, তাই করেন।ওই সব আনস্মার্ট নাগরিকের কারণে যে অন্যদের সমস্যা হচ্ছে,তারা যে অন্যদের অনবরত সমস্যা সৃষ্টি করে চলেছেন,তাতে তাদের কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই।এর সাথে যুক্ত হয়েছে আনস্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা। ট্রাফিক দপ্তরের চরম উদাসীনতা।সব মিলিয়ে আগরতলা স্মার্টসিটি যেন নিজেই নিজের উপহাসের পাত্র হয়ে উঠেছে।বিস্ময়কর ঘটনা হলো,দিনের পর দিন,মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ধরে শহরের এ দুর্ভোগ চলতে থাকলে সুরাহা এবং নজর দেওয়ার কেউ নেই।হঠাৎ করে মাঝে মধ্যে কিছু তৎপরতা দেখা গেলেও চব্বিশ ঘণ্টা পার হতে না হতেই আবার যে কে সেই অবস্থা।অবস্থার কোন ও পরিবর্তন নেই।আজ পর্যন্ত আগরতলা শহরে সঠিক কোনও পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।আগরতলা পুর নিগমের পক্ষ থেকে শহরে কিছু কিছু এলাকায় পার্কিং জোন ঘোষনা করা হলেও, জনগণ তাতে কর্ণপাতও করেন না। ফলে রাস্তায় যার যেখানে খুশি পার্কিং চলছে, চলবেও। কারণ এই বিষয়ে কঠোরভাবে নজরদারি করার কেউ নেই। আগরতলা শহরে নিত্য যানজট এখন ভবিতব্য। এর থেকে নিস্তার নেই।শহরে গরিব ফুটপাথ ব্যবসায়ীদের জন্য কোনও নিয়ম আজও সঠিকভাবে কার্যকর করা যায়নি।ফলে রাস্তা দখল করে পসরা সাজিয়ে ব্যবসা করা আজও অব্যাহত।এই শহরে ভিআইপি রাস্তা ছাড়া আর কোনও সড়কে ট্রাফিক পুলিশের দেখা পাওয়া অনেকটা অমাবস্যায় চাঁদ দেখার মতো।মাঝে মধ্যে ট্রাফিক বাবুদের দেখা গেলেও,রাস্তার পাশে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে মোবাইলেই ব্যস্ত থাকতেই দেখা যায়। শহরের প্রতিটি রাস্তায় দিনভর যানজট এখন নিত্য সঙ্গী। গোটা শহরে একটা অরাজক অবস্থা।শহরে অটো এবং টমটম চালকদের দৌরাত্ম দিন দিন বেড়েই চলেছে। গোদের উপর বিষফোঁড়া মোটরচালিত রিকশা যার কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই এই শহরে।প্রতিদিনই আগরতলা শহরে মোটরচালিত রিকশার সংখ্যা বাড়ছে।প্রশ্ন হচ্ছে, স্মার্টসিটিতে এইসব নিয়ন্ত্রণের কি কোনও নিয়মকানুন নেই?অটোতে তিনজন যাত্রী পরিবহণের নির্দেশ করেই কলাপাতা হয়ে গেছে।শহরের অধিকাংশ সড়কেই পাঁচ থেকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে অটো চলছে। পুলিশ এবং ট্রাফিকবাবুরা এইসব চোখে দেখেন না।তবে যত দোষ যেন টু-হুইলার চালকদের।শহরে সিসি ক্যামেরাগুলো আদৌ কোনও কাজ করে কিনা? নাকি শোভাবর্ধন করছে?এই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।শহরে ফ্লাইওভারে কোথাও একটিও সিসি ক্যামেরা নেই। রাত দশটার পর ওড়াল পুলে কি সব চলে, তা কারোর অজানা নয়। দেশের প্রতিটি শহরেই কিছু নিয়মকানুন থাকে। ট্রাফিক ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি থাকে। জনগণকেও সেই সব নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়।শুধু তাই নয়, শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে শহরের সৌন্দর্য্যতা বজায় রাখতে প্রশাসনের যেমন দায় রয়েছে,তেমনি শহরবাসীরও দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু আগরতলায় যেন এসবের কোনও বালাই নেই। সব মিলিয়ে স্মার্টসিটি আগরতলা প্রকৃত অর্থেই কবে স্মার্ট হয়ে উঠবে? সেটাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন।
অনলাইন প্রতিনিধি:- বাংলাদেশ থেকে কাঞ্চনপুর মহকুমার ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে মিজোরামে যাওয়ার পথে মামিত জেলার…
অনলাইন প্রতিনিধি :- নিরাপত্তার কাজে নয়, টিএসআর জওয়ানদের খাটানো হচ্ছে আর্দালি হিসাবে। পুলিশ আধিকারিকদের ও…
অনলাইন প্রতিনিধি :- ইন্ডিগো আগরতলা- দিল্লী রুটের উভয় দিকে যাতায়াতে আরও একটি বিমান চালু করছে।…
দিল্লীর বিধানসভা ভোট নিয়ে সরগরম দিল্লী। দিল্লীতে এবার এক আঙ্গিকে বিধানসভা ভোট হচ্ছে। গত পরিস্থিতির…
অনলাইন প্রতিনিধি :-ত্রিপুরায় উৎপাদিত" অর্গানিক বার্ড আই চিলি " স্হানীয় ভাষায় যাকে বলা হয় ধানি…
২২জানুয়ারী,২০২৪।এক বছরের ব্যবুধানে ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি।গত বছরের মেগা ইভেন্টের আসর বসেছিল অযোধ্যায়। এবার মেগা…