বিভৎস ট্রেন দুর্ঘটনা, ছিটকে গেল চলন্ত তিনটি মালগাড়ির কামরা!!
১৩টি প্রকল্প বাস্তবায়নের চিত্র মেলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী!!

অনলাইন প্রতিনিধি :-কেন্দ্রীয় ১৩টি প্রকল্পের বাস্তবায়নে রাজ্যগুলির প্রকৃত অবস্থা কোন স্থানে দাঁড়িয়ে আছে-নীতি আয়োগের বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা হয়েছে।দিল্লীস্থিত বিজেপি সদর কার্যালয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ- মুখ্যমন্ত্রীদের কাছ থেকে প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নের হালহকিকত জানতে চাওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীগণ সেই সব বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে মেলে ধরেছেন।প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে সফলতা এবং খামতির দিকগুলির বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রীরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গির কথা মেলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ শাসকদলীয় শীর্ষনেতৃত্বের কাছে।শনিবারও নীতি আয়োগের বৈঠকের পর বিজেপি সদর দপ্তরে বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে পৃথক বৈঠক হয়। রবিবার হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈঠক। বৈঠকে ত্রিপুরা বৈঠকে ত্রিপুরা রাজ্যের আর্থসামাজিক উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগের বিস্তারিত আপডেট তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (শহুরে) এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) এর অধীনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. সাহা।তিনি জানান, সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে রাজ্যে হাজার হাজার শহুরে এবং গ্রামীণ পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি রাজ্যে জল জীবন মিশন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প সরকারের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোকাস ক্ষেত্র।এতে ত্রিপুরার প্রতিটি গ্রামীণ পরিবার পৃথক পানীয় জল সংযোগের মাধ্যমে নিরাপদ এবং পর্যাপ্ত পানীয় জলের জোগান উপলব্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।সেই সঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে ত্রিপুরায় আর্থিকভাবে সুবিধা বঞ্চিতদের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে গুণগতমান সম্পন্ন চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী ডা. সাহা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় রাজ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটে চলেছে।এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে।এর ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে রাজ্যে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে এবং গ্রামীণ এলাকায় পণ্য পরিবহণ ও যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি কৃষকদেরকে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করেছে।কিষান ক্রেডিট কার্ড (কৃষি) পশুপালন এবং মৎস্য চাষের সম্প্রসারণ সহ কৃষকদের সহজলভ্য ঋণের সুবিধা দিয়েছে।এতে বিভিন্ন ধরনের উন্নত চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষকসমাজ উপকৃত হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনায় অনেক নাগরিককে জীবন বিমা কভারেজ প্রদান করেছে এবং তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।এছাড়া স্বামিত্ব স্কিম, ভারত নেট, সয়েল হেলথ কার্ড, অটল পেনশন যোজনা এবং স্বনিধি প্রকল্পগুলির বিষয়েও বিশদ তথ্য উপস্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।