জমি কেলেঙ্কারি, মুখ্যমন্ত্রীকে সময়সীমা দিলো কংগ্রেস!!

 জমি কেলেঙ্কারি, মুখ্যমন্ত্রীকে সময়সীমা দিলো কংগ্রেস!!
এই খবর শেয়ার করুন (Share this news)

অনলাইন প্রতিনিধি:- জমি কেলেঙ্কারির প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চওড়া করলো প্রদেশ কংগ্রেস। বিরোধী দল কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মুখ্যমন্ত্রীকে সময়সীমাও বেঁধে দিল। শুক্রবার কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। তিনি বলেন, জমি কেলেঙ্কারির বিরাট ঘটনা সামনে আসার পরও মুখ্যমন্ত্রী নীরব। এর একটা বিহিত আশা করেছিলেন তারা। ঘটনাটি ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর। ওইদিন তৎকালীন সিপাহিজলার জেলাশাসক একটি জমি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজস্ব দপ্তরের উপসচিবকে জানিয়েছিলেন। এই রাজস্ব দপ্তর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, আর বদলি করে দেওয়া হয়েছে ওই জেলাশাসককে। এই অভিযোগ তুলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা রাজস্ব, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পূর্ত, নগরোন্নয়ন দপ্তর-প্রতিটিই দুর্নীতিতে জর্জরিত। একটি ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেই। বিষয়গুলি তারা বিধানসভাতেও তুলছেন, তারপরও হেলদোল নেই। এই ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকাকেই দায়ী করে প্রশ্ন তুলেছেন কেন মুখ্যমন্ত্রী কোনো ব্যবস্থা নিলেন না। কেন বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করছেন? কেন একের জমি অন্যের নামে হস্তান্তরের এত বড় দুর্নীতি কীভাবে তিনি চেপে গেলেন। তাই প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে ১৫ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে এই জমি কেলেঙ্কারির ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পিসিসি সভাপতি। তিনি বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী বিধায়করা বরাবরই দাবি করে থাকেন রাজ্যে স্বচ্ছ সরকার চলছে কোন রকম দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। তাদের কথায় স্বচ্ছ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নিজে জমির দালালি, মাফিয়া সংস্কৃতি বন্ধ করার কথা বলেন। অথচ তার দপ্তরই জমি মাফিয়াদের প্রশ্রয় দিয়ে রেখেছে বলে কংগ্রেস অভিযোগ করেছে। কংগ্রেস এদিন হাইকোর্টের ভূমিক নিয়েও হতাশা ব্যক্ত করেছে। পিসিসি সভাপতি বলেন, আগে অনেক সময় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা নেওয়া হলেও এখন তা হচ্ছে না। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেস সহ-সভাপতি শান্তিরঞ্জন দেবনাথ এবং দলের মুখপা প্রবীর চক্রবর্তীও ছিলেন।

Dainik Digital

Dainik Digital

Leave a Reply

Your email address will not be published.